ইরানের ধর্মীয় নগরী কোমে অবস্থিত হযরত ফাতিমা মাসুমা (সা.আ.)-এর পবিত্র মাজার প্রাঙ্গণে ইমাম খোমেনী (রহ.) শাবিস্তানে অনুষ্ঠিত শহীদ ইমাম খামেনেয়ী (রহ.)’র স্মরণসভা শেষে হাওজা নিউজ এজেন্সি’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি হাওজা ইলমিয়ার দায়িত্ব এবং শহীদ নেতার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের বিষয় নিয়ে কথা বলেন।
তিনি বলেন, শহীদ ইমাম খামেনেয়ী (রহ.) তাঁর ‘অগ্রণী ও আদর্শ হাওজায়ে ইলমিয়া’ শীর্ষক ঘোষণাপত্রে হাওজা ইলমিয়ার ভবিষ্যৎ কর্মপথ সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের হাওজায়ে ইলমিয়াগুলো এ ঘোষণাপত্রকে কর্মপরিকল্পনার ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করে তা বাস্তবায়নে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবে।
আয়াতুল্লাহ শাবজিন্দাদার আরও বলেন, শহীদ নেতার চিন্তা, দিকনির্দেশনা ও লক্ষ্যই হাওজায়ে ইলমিয়ার কর্মকাণ্ডের মূল ভিত্তি হওয়া উচিত। তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ, শহীদ ইমাম যে লক্ষ্য ও আদর্শ রেখে গেছেন, তা বাস্তবায়িত হবে এবং ইসলামী বিপ্লবের আদর্শ প্রতিষ্ঠায় হাওজায়ে ইলমিয়া তার দায়িত্ব পালন করবে।
শহীদ ইমাম খামেনেয়ী (রহ.)’র রক্তের প্রতিশোধ প্রসঙ্গে তিনি পবিত্র কুরআনের আয়াত إِنَّا مِنَ الْمُجْرِمِينَ مُنْتَقِمُونَ (নিশ্চয়ই আমি অপরাধীদের শাস্তি প্রদানকারী) উদ্ধৃত করে বলেন, এটি আল্লাহর অবিচল প্রতিশ্রুতি এবং ন্যায়বিচারের দাবি। তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ, প্রয়োজনীয় শর্ত ও উপযুক্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে মুসলমান, শিয়া এবং আহলে বাইতের (আ.) অনুসারীরা শহীদ ইমাম খামেনেয়ী (রহ.) ও অন্যান্য মুজাহিদদের হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিশ্চিত করতে সচেষ্ট থাকবেন।
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি হযরত বাকিয়্যাতুল্লাহ আল-আযম ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর দ্রুত আবির্ভাবের জন্য দোয়া করেন এবং সত্যের শক্তির বিজয় কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও সংহতির মাধ্যমে আল্লাহর এ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হবে এবং শহীদদের পবিত্র রক্ত জালিমদের পতন ও ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আবির্ভাবের ক্ষেত্র প্রস্তুত করবে।
আপনার কমেন্ট